অর্থনীতিপ্রতিবেদন

‘প্রধানমন্ত্রীর সততার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ’

অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক

‘প্রধানমন্ত্রীর সততার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ’

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহস, সততা ও দূরদর্শিতার সুফল পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। গত ৯ অক্টোবর ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার আইটি বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার আইটি বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় ২২টি ইউনিয়নে কানেক্টিভিটি উদ্বোধন বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সালমান এফ রহমান বলেন ‘সবাই কিন্তু একটি প্রশ্ন করে, তোমাদের প্রধানমন্ত্রী কীভাবে দেশটা এ পর্যায়ে নিয়ে আসছে। তারা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। এখন প্রতিটি সেক্টরেই উন্নতি হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় এলেন তখন মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র সাড়ে ৪০০ ডলার। আর ১১ বছর পর এ আয় এসে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ ডলারে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশের প্রতিটি নাগরিককে পরিশ্রম করতে হবে। সবার ঐকান্তিক পরিশ্রম দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক

‘প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানে জলবায়ু
মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, মহামারি, জীব-বৈচিত্র্য ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই বাংলাদেশ জলবায়ু, প্রকৃতি ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, জলবায়ু-সহিষ্ণু জাতি গঠনে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১-এ উন্নত ও টেকসই পরিবেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ‘গ্রিন গ্রোথ স্ট্র্যাটেজি’ নেওয়া হয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার সুওন শহরে অনুষ্ঠিত ‘ফোর্থ ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম সেশন অব দ্য ফোরাম অব মিনিস্টার্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অথোরিটিজ অব এশিয়া প্যাসিফিকে’ ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সম্মেলনে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ও কার্যকরভাবে জলবায়ু ঝুঁকি কমানোর মাধ্যমে একটি নিরাপদ, জলবায়ু-সহিষ্ণু ও সমৃদ্ধ বদ্বীপ অর্জনের জন্য সরকার ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ নিয়েছে। গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন কমাতে বাংলাদেশ চলতি বছরের ২৬ আগস্ট ইউএনএফসিসিতে সংশোধিত ও উন্নত ‘ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনস’ জমা দিয়েছে।
মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু-সহিষ্ণুতা ও প্রকৃতিভিত্তিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয়ভাবে বাস্তবায়নযোগ্য অভিযোজন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশ ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রসপারিটি প্ল্যান-২০৩০’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও সরকার জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান’, ‘কান্ট্রি ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান অন এনভায়রনমেন্ট, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ’, ‘রিনিউয়েবল এনার্জি রোডম্যাপ’ ও ‘প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান’ প্রভৃতি সেক্টোরাল পলিসি ও অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ করছে।
জাতীয় পর্যায়ে গৃহীত এসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আহ্বান জানান।
অর্থকণ্ঠ ডেস্ক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button