কোডার্সট্রাস্ট-এর সম্মানিত উপদেষ্টা ন্যাশনাল স্কীল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সচিব মো: ফারুক হোসেন বলেন, কোডার্সট্রাস্ট গ্লোবালি বিপ্লব ঘটিয়েছে এবং তা বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ। এই প্রতিষ্ঠান মেয়েদের স্কীল ডেভেলপ করছে এবং ঊসঢ়যধংরং দিচ্ছে মেয়েদের, এখানে একটা ইউনিকনেস আমরা দেখতে পাই। এই জায়গাটায় যেভাবে ইনকাম জেনারেটিং স্পীডটা তৈরি হচ্ছে মেয়েদের মধ্যে সেটি একটি বড়ো ড্রাইভ। এবং অ্যাজ এ হোল, স্কীলস ডেভেলপমেন্টের একটা প্রবাহ এখন বাংলাদেশে শুরু হয়েছে, এস্টাবলিশমেন্ট অব ন্যাশনাল স্কীল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির থ্রোতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করেছেন স্কীল ডেভেলপমেন্টের জন্য এবং যে পলিসিটি ফলো করা হচ্ছে সেই পলিসিতে কিন্তু মেয়েদের প্রায়োরিটি, প্রিভিলেইজ দেয়া হয়েছে। সুতরাং, এটি একটি অবজেক্টিভ এবং এই অবজেক্টিভের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে কোডার্সট্রাস্ট। মো: ফারুক হোসেন বলেন, আমরা জানি যে, যেভাবেই হোক না কেন আমাদের তরুণরা স্কীলডআপ হচ্ছে আইসিটি স্কীলে। আমরা যদি ইন ওয়াইডার সেন্স স্কীল নিয়ে কথা বলি তাহলে স্কীল হলো এমন একটি অকুপেশন যে অকুপেশনে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ক্যাপাবিলিটি, ক্যাপাসিটি থাকবে এবং যেটি ইউটিলাইজ করে সে স্পেসিফিক অকুপেশন দ্বারা ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্টিভিটি এনহেন্স করবে অ্যান্ড দিস ইজ স্কীল। স্কীলটাকে যদি আমরা ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসি তাহলে স্পেসিফিক অকুপেশনে তাকে স্কীলড এবং সার্টিফাইড হতে হবে। কোডার্সট্রাস্ট সেই কাজটি করতে প্রস্তুত। অনেকটা কোডার্সট্রাস্টের আগ্রহের মধ্য দিয়েই এই ক্ষেত্রেও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। মো: ফারুক হোসেন তার বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানান এনএসডিএ-এর বর্তমান চেয়ারম্যান দুলাল কৃষ্ণ সাহাকে। এনএসডিএ বেশ কিছু কাজ করেছে ফ্রিল্যান্সারদের আইডেন্টিটি দেয়ার ব্যাপারে। আইসিটি মিনিস্ট্রি ও এনএসডিএ অলরেডি কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, এনএসডিএ প্রিপারেশনও নিচ্ছে তারা যে কোর্সগুলো করছে তা পর্যায়ক্রমে কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় আসবে। এবং রাষ্ট্র সেটাকে প্রাধান্য দেবে। এবং এই জায়গাটাতে পৌঁছার আগেই কোডার্সট্রাস্ট অনেক কাজ করে ফেলেছে। আমি মনে করি, আমরা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলেশনের দিকে যাচ্ছি এবং আমাদের এই ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলেশন রিলেটেড যে সমস্ত অকুপেশন ক্রিয়েট করা দরকার, কোভিড পরবর্তী কালের জন্য যে সব প্রিপারেশন দরকার এবং আইসিটি স্কীলের জন্য যে জোর দেয়া দরকার এই জায়গাগুলোতে কিন্তু কোডার্সট্রাস্ট দুর্দান্ত গতিতে কাজ করছে গ্লোবালি এবং বাংলাদেশও তার বেনিফিট পাচ্ছে। তিনি অনুরোধ জানান এটি যে গতিতে চলছে সে গতিকে যাতে দ্রুত আমাদের ন্যাশনাল ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে নিয়ে আসা যায় এবং এটিকে একটা অকুপেশনাল স্কীলে সার্টিফাইড পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

জনাব ফারুক হোসেন আশা ব্যক্ত করে বলেন, কোডার্সট্রাস্ট ও এনএসডিএ একে অন্যের পরিপূরক হয়ে একটা পর্যায়ে গিয়ে কাজ করবে এবং এই যে সফলতা এটা চলে আসবে বাংলাদেশের একাউন্টে। তিনি বলেন, স্কীলের কোনো বয়স লাগে না- স্কীলের জন্য কোনো এডুকেশন লাগে না, যে কোনো লেভেল থেকে, যে কোনো বয়স থেকে মানুষ স্কীলড হতে পারে। যে লোয়ার লেভেলে ছিল স্কীল জেনারেটের মাধ্যমে সে আপার লেভেলে মুভ অন করতে পারে। এসব কাজেও কিন্তু কোডার্সট্রাস্ট যুক্ত আছে। কিন্তু কোডার্সট্রাস্ট যুক্ত থাকার পরেও আমি আশা করবো যাতে এনএসডিএ প্ল্যাটফর্মে থেকে এটিকে ফর্মালি সার্টিফাইড হওয়ার পথে এনএসডিএ সফলভাবে কাজগুলো করতে পারে।
ফারুক হোসেন বলেন, কেউ যদি গ্রাফিক ডিজাইন জানেন তাহলে মার্কেট তাকে বলবে না গ্রাফিক ডিজাইনার। মার্কেট তাকে বলবে তখন যখন তার সার্টিফিকেট থাকবে। এবং সেই সার্টিফিকেট গভর্নমেন্টের সুপারভিশনে হবে। গভর্নমেন্টের সার্টিফাইড ট্রেনার দ্বারা হবে। এবং গভর্নমেন্ট এসিস্ট করে তাকে সার্টিফিকেশন দেবে। সুতরাং এটা গভর্নমেন্টের লিস্টেড স্কীলড হিসেবে আসতে হবে। সেই জায়গাটাও আমি মনে করি- খুব বেশি দূরে নয়। এনএসডিএ’র প্রস্ততি চলছে এবং কোডার্সট্রাস্ট যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশের এই বিপ্লবকে ছড়িয়ে দেবে গ্রামেগঞ্জে এবং আমাদের যেই ইনকাম জেনারেটিং প্ল্যাটফর্মটা যেভাবে প্লেসমেন্ট হচ্ছে মেয়েদের সেই জায়গাটাতে আমরা একটা অভূতপূর্ব উত্তরণ দেখতে পাবো।


