অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রস্থল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে দুই দিনব্যাপী ‘দ্বিতীয় গ্লোবাল বিজনেস সামিট-২০২১’-এর সফল সমাপ্তি হয়েছে। দুবাইয়ের শেখ জায়েদ রোডের ঐতিহ্যবাহী ক্রাউন প্লাজা হোটেলে গত ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এবারের সামিটের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘কানেক্ট ইয়োর বিজনেস’। এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশন ও বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজন করে। ব্যবসায়ী, প্রবাসী সিআইপি, লেখক ও প্রবাসী সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় দুবাই বিজনেস সামিট। এই সামিট ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। এটি বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বিমুখী বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ব্যবসায়ীরা।
২৯ সেপ্টেম্বর সকালে সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আলহাজ মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির সিআইপির সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এই সামিটে কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তাসহ ১০০টিরও বেশি বিনিয়োগকারী এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তারা যোগ দেন। এ সময় তারা বিনিয়োগ ও রেমিট্যান্সের সুযোগ উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং অর্থনৈতিক মিরাকেলস নিয়ে আলোচনা করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রবাসীদেরকে দেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, প্রবাসীরা দেশে বিনিয়োগ করলে সরকার তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। করোনা মহামারি চলাকালে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তারা ২৪.৭৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে রেকর্ড উচ্চতায় উন্নীত করতে সাহায্য করেছে। মন্ত্রী আরো বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.২ শতাংশ হবে। করোনার অর্থবছরে বৈদেশিক বাণিজ্য ছিল ৯৭ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকার শীর্ষ রেমিট্যান্স প্রেরকদের সম্মানিত করে। তাদের বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মর্যাদা দিয়ে থাকে। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানের স্বীকৃতি।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক মিলিয়নেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। এ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১.৮৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তিনি বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) তালিকা থেকে ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে বাংলাদেশ। মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের জনগণপন্থী নীতি, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি কৌশল ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব আমাদের জনগণ ও অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। এগুলো আমাদের সাফল্যের রহস্য।
অনুষ্ঠানে এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহতাবুর রহমান নাসির সিআইপি বলেন, এনআরবিরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় অবদানকারী। শুধু রেমিট্যান্সের হিসাবেই নয়, বিনিয়োগ ও পণ্যের আমদানিকারক হিসেবেও তাদের অবদান রয়েছে। এনআরবিরা বাংলাদেশের রপ্তানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছেন। আগামীতেও এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশন দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে বৃহত্তর ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে দুবাইয়ে আয়োজিত গ্লোবাল বিজনেস সামিটে উদ্যোক্তাদের জড়ো হওয়া তা-ই প্রমাণ করে। তিনি সরকারের বিনিয়োগ কর্মসূচিতে প্রবাসীদের আরো ব্যাপকভাবে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। এই সামিটে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও প্রবাসীদের সম্ভাবনার দিক তুলে ধরে মাহতাবুর রহমান প্রবাসীদের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন ও ২ শতাংশের পরিবর্তে ৪ শতাংশ প্রণোদনার দাবি জানান।
এনএসইউ স্কুল অব বিজনেসের ফ্যাকাল্টি মেম্বার দিলারা আফরোজ খান রুপা ও বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিনের কান্ট্রি ডাইরেক্টর নেহরিন মোস্তফার সঞ্চালনায় সামিটে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, সাবেক এমপি ও নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ঠিকানা পত্রিকার সম্পাদকম-লীর সভাপতি এম এম শাহীন, আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর, দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসাইন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাসরিন জাহান, এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও ম্যাক্সগ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মো. আলমগীর, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর শেখ রহমান, ইউএস বাংলাদেশ গ্লোবাল চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আজিজ আহমদ, আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমান, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ ওমেন অ্যাসোসিয়েশন দুবাইয়ের প্রেসিডেন্ট বাইজান এন চৌধুরী, আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপ অব কোম্পানিজের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এমাদুর রহমান, এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী সারওয়ার হাবিব, এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াসিন চৌধুরী প্রমুখ। প্রথম দিনের অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সম্মানে নৌবিহারের আয়োজন করা হয়।
৩০ সেপ্টেম্বর সামিটের দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আলহাজ মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির সিআইপির সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সহায়তা প্রদানে সরকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রবাসীরা যেসব সুযোগ-সুবিধা চান, সেসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এই কমিটি কাজ করবে। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোথাও কোনো সমস্যা মনে করলে সেগুলো দ্রুত সমাধান করা হবে। বিনিয়োগ-সংক্রান্ত তাদের প্রস্তাবগুলো যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়, সে লক্ষ্যে এই কমিটি গঠনের কথা ভাবা হচ্ছে।
টিপু মুনশি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সমন্বয়ে এই কমিটি গঠন করা হবে, যার মূল কাজ হবে প্রবাসীদের বিনিয়োগ প্রস্তাবের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। পাশাপাশি প্রবাসীদের বিনিয়োগ আরও কীভাবে সহজ করা যায়, সেসব বিষয়ে কাজ করা।
প্রবাসী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। আপনারা বিনিয়োগ করলে বিদেশিরা তখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আরও উৎসাহ পাবে। তিনি বলেন, আমি সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের চূড়ান্তভাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি- বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে কিংবা ব্যবসা পরিচালনায় কোথাও সমস্যা দেখা দিলে সেগুলো নিয়ে আসুন, সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তিনি প্রবাসীদের যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগ কীভাবে আরও সহজ করা যায়, সেসব প্রস্তাব নিয়ে আসার অনুরোধ করেন। মন্ত্রী বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে প্রস্তাব নিয়ে এলে সরকারের পক্ষে কাজ করা কঠিন। বরং একটি সুনির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এলে আমাদের পক্ষে কাজ করা অনেক সহজ হবে। টিপু মুনশি বলেন, প্রবাসীরা তাদের জন্য একটি ডেডিকেটেড অর্থনৈতিক অঞ্চল চান। সরকার অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে তাদের এই প্রস্তাব বিবেচনা করবে।
এদিকে এই সামিট যেন সারা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী, প্রবাসী সিআইপি ও অন্যান্য পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় রূপ নেয়। অতিথিদের পদচারণে ক্রাউন প্লাজা হোটেলের সৌন্দর্য যেন বহুগুণে বেড়ে যায়। আয়োজকদের নয়নকাড়া আতিথ্যে তাতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়। বাংলাদেশের দুই মন্ত্রীর উপস্থিতি আয়োজক ও অতিথি ব্যবসায়ীদের বাড়তি অনুপ্রেরণা দেয়। এক ছাদের নিচে এমন নজরকাড়া আয়োজন-আপ্যায়নে সবাই যেন পরিপূর্ণ তৃপ্ত। করোনা মহামারির এই প্রতিকূল পরিস্থিতি আর ভ্রমণের ঝক্কিঝামেলা উপেক্ষা করে যে উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন নিয়ে তারা দুবাইয়ে সমবেত হয়েছিলেন, তাদের সেই স্বপ্ন যেন পুরোপুরি বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং এর অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা নিয়ে আশাপ্রদ আলোচনা ও তা বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হওয়ায় সবার চেহারায় যেন খুশির ঝিলিক উঁকি দিচ্ছিল। আর দীর্ঘদিন পর সারা বিশ্বের প্রবাসী বাংলাদেশিরা একমঞ্চে একত্র হওয়ায় অনেকেই যেন খুঁজে পেয়েছিলেন বহুদিন না দেখা পরম আত্মীয়কে।
সময় গড়ানোর সাথে তাল মিলিয়ে এভাবেই নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে সমাপ্তির পথে এগিয়ে চলে অনুষ্ঠান। বক্তব্য এবং আলোচনা সভা শেষে অতিথিদের মধ্যে বিতরণ করা হয় অ্যাওয়ার্ড। রাতের খাবার শেষে দুই দিনব্যাপী সামিটের পরিসমাপ্তি ঘটে।
কিন্তু ‘শেষ হইয়াও যেন হইল না শেষ’! সামিটের আনুষ্ঠানিক সফল সমাপ্তি ঘটলেও এর প্রধান উদ্যোক্তা সিআইপি মাহতাবুর রহমান নাসির যেন পুরোপুরি তৃপ্ত নন! তিনি পরদিন ১ অক্টোবর অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথিকে তার বাসায় নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান। অতিথিরাও তাঁকে নিরাশ করেননি। সেদিন রাতে তাঁর বাসা রূপ নিয়েছিল ক্রাউন প্লাজা হোটেলে! সবাই তৃপ্তিভরে খেয়ে রওনা দিলেন নিজ নিজ গন্তব্যে। সঙ্গে সিআইপি মাহতাবুর রহমান নাসিরসহ আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন।
দুইদিনব্যাপী গ্লোবাল সামিটে স্বদেশ-বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম যারা উপস্থিত ছিলেন- ডা. কালি প্রদীপ চৌধুরী, চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডার, কেপিসি গ্রুপ; আবুবকর হানিপ, চ্যান্সেলর এন্ড সিইও, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি- ইউএসএ; আজাদুল হক, সিইও, ম্যাক্স গ্রুপ; কাজী সরওয়ার হাবীব, সেক্রেটারি এনআরবি-সিআইপি অ্যাসোসিয়েশন; মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী, এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক; মোহাম্মদ শফী উদ্দিন, জেনারেল ম্যানেজার, ন্যাশনাল ফিশ গ্রুপ; মোহাম্মদ মনির হোসাইন, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, ফাতেমা গ্রুপ; আলীম আল রাজী, প্রেসিডেন্ট, আর্জেন্টিনা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি; আতিকুর রহমান, প্রেসিডেন্ট, আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অ্যান্ড কমার্স অব ইন্ড্রাস্ট্রি, ইউএসএ; ড. সাইফুল খন্দকার, সিইও এন্ড ফাউন্ডার, ফামা; রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফামাক্যাশ; জন সাখাওয়াত চৌধুরী, ম্যানেজিং ডাইরেক্টও, এনকে সফ্্ট; রুদমেলা নওশীন, ফাউন্ডার-সিইও, কনফিগভিআর এন্ড কনফিগরোবট; বশির আহমেদ, প্রেসিডেন্ট, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, কল্লোল আহমেদ, সিআইপি, প্রেসিডেন্ট-সিইও, প্রিমিয়াম ফুড ও শাহজালাল ব্রেন্ড; শাকিল আহমেদ, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, ইত্যাদি গ্রুপ; এমই চৌধুরী শামীম, ফাউন্ডার এন্ড প্রেসিডেন্ট, স্কলার্স গ্রুপ; মো. মাহাদি উজ জামান, ফাউন্ডার, ক্লাউড ক্যাম্প; মো. জাহাঙ্গীর, চেয়ারম্যান এন্ড সিইও, প্রজেক্ট সার্ভিস ইনস্টিটিউট; মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, সিইও এন্ড লোন অরিজিনাইটার, এএ ইউএস মর্গেজ; ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বিজকন ইন্টারন্যাশনাল ইন্ক; মাসুদ চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট, কনকর্ড সনিক এলএলসি; হাজী আব্দুল করিম সিআইপি, পরিচালক, এনআরবি ব্যাংক; কাজী সারওয়ার হাবীব, সিআইপি; আজাদুল হক, চেয়ারম্যান, ব্রিজ টু বাংলাদেশ; প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর, চেয়ারম্যান, ম্যাক্স গ্রুপ; প্রীতি চক্রবর্তী, সিআইপি; দুলাল আহমেদ, পরিচালক, এনআরবি ব্যাংক; এনামুল হক এনাম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, পাক্ষিক অর্থকণ্ঠ; আরিফ আহমেদ চৌধুরী, সিআইপি; এএইচএম সফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; মো. আবদুল মোমেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিইউএএ; মো. মাহবুব আলম মানিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল অব দুবাই; মো. কাপ্তান হোসাইন, সভাপতি, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, রিয়াদ; হাফেজ মোহাম্মদ ইদ্রিস, সিআইপি; শামীম কবির, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টেপ ফুটওয়ার; নাসরিন খান, সিইও, আহেলী টিভি; মো. এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক, কনকর্ড গ্রুপ; প্রফেসর মাসুদ এ খান, চেয়ারম্যান ও সিইও, বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (বিবিএফ); মোহাম্মদ এমাদুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আল-হারামাইন গ্রুপ; তাতিয়ামা কবির, ভাইস চেয়ারম্যান, এনআরবি ব্যাংক; প্রকৌশলী আজাদুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পাওয়ার ডিভিশন; মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, উলকাসেমী; পাওলা ইসাক বারায়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য; মলি খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এভিএস গ্রুপ ইউএসএ ইনক্; সারওয়া চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী; ডিউক খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী; রায়হান রেজা, মূলধারার রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আদম তানজিল (টিজে), ওরাকল আর্কিটেক্ট; এম তালাত হোসাইন, গ্লোবাল স্ট্রাটেজিস্ট এন্ড ম্যানেজিং মেম্বার; আসিফ চৌধুরী, রিয়েলেটর, এক্সিট গ্রুপ; ফক্কু চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রমুখ।


