অর্থনীতিআন্তর্জাতিক

গ্লোবাল বিজনেস সামিট কাতার ২০২২ বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়নের নতুন মাইলফলক

কাতার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী একটি রাষ্ট্র। খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ এই রাষ্ট্র শিল্প এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ কাতারের রাজধানী দোহায় আগামী ৩০-৩১ মে ‘বিজনেস আমেরকিা’ ম্যাগাজিনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে থার্ড গ্লোবাল বিজনেস সামিট-২০২২। এই ধরনের একটি বিজনেস সামিট বাংলাদেশের শিল্প-বাণিজ্য এবং অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে। একই সাথে উদযাপন করছে ‘বিশ্ববন্ধু’ খ্যাত সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের মাঝে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনের যে বীজ বপন করেছিলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তা ডালপালায় বিস্তৃত হয়। নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর নৃশংস হামলার জবাব দিতে সংঘটিত হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। ওই যুদ্ধ চলে ৯ মাস। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এ জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে তিরিশ লক্ষাধিক মানুষকে। দু’ লক্ষাধিক মা-বোনকে হারাতে হয়েছে সম্ভ্রম। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীন পতাকা বিশ্বের মানচিত্রে সগৌরবে উড্ডীন। কিন্তু তা সত্ত্বেও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকার কারণেই আমাদের কাঙিক্ষত স্বাধীনতা ও মুক্তির অর্জন থেকে অনেকটা বঞ্চিত হয়েছি। এ রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ চায় দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন। এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে শুধু বাংলাদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশিরাই নন- প্রবাসে অবস্থানকারী উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং কর্মজীবী যারা ‘এনআরবি’ হিসেবে খ্যাত তারাও বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করছেন।

বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার একটি রাষ্ট্র। এই অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রথমেই প্রয়োজন পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নের আর্থিক সামর্থ্য। বাংলাদেশ অনেক চমৎকার পরিকল্পনা করতে পারে, নিতে পারে উদ্যোগও। কিন্তু তা বাস্তবায়নের আর্থিক সামর্থ্য গড়ে ওঠেনি। বর্তমান জনবান্ধব সরকার দেশে ১০০টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে এবং তার কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। পর্যবেক্ষকগণ বলছেন, এইসব ইপিজেড বা অর্থনৈতিক এলাকা গড়লেই হবে না, সেগুলোতে শিল্প-বাণিজ্যের প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে হবে। এজন্য দরকার ব্যাপক বিনিয়োগ। এই বিনিয়োগের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর বৈদেশিক বিনিয়োগ। ঠিক সে সময়টিতেই দেখা গেল বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ কোটি ২০ লক্ষাধিক বাংলাদেশি চাকুরি ও ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। তাদের পাঠানো রেমিটেন্স বাংলাদেশের বাজেট ও জিডিপির অন্যতম প্রধান উৎস। তাদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে। দেশে ২০২০ সালে রেমিটেন্স খাতে ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ এসেছে। বর্তমানে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ৪৮.০৪ বিলিয়ন ইউএস ডলারেরও বেশি। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য আশার আলোকবর্তিকা। জিডিপির হিসাবে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। কিন্তু এ কথাও ঠিক, উপার্জনের জন্য সবার বিদেশে যাওয়া চলবে না। দেশের শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্যও চাঙ্গা রাখতে হবে। নতুন নতুন শিল্পায়ন করতে হবে। দেশকে শিল্পায়িতভাবে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে হবে। এই লক্ষ্য নিয়েই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী যারা দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসেন- যারা দেশের উন্নয়ন প্রত্যাশা করেন এবং ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার স্বপ্ন দেখেন- বিগত সময়ে তারা উদ্যোগ নিয়েছিলেন দুবাইতে ‘দ্বিতীয় গ্লোবাল সামিট ২০২১’  আয়োজনের। এনআরবি সিআইপিগণ এর অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। রাষ্ট্র ও জনগণের উন্নয়নবান্ধব বাংলাদেশ সরকার বিদেশে অবস্থানকারী ভালো উদ্যোক্তাদের ‘সিআইপি’ সম্মানে ভূষিত করেছে। এই এনআরবি সিআইপিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাংগঠনিকভাবে একতাবদ্ধ হয়েছেন। তারা চিন্তা-ভাবনা করছেন কীভাবে বাংলাদেশে অধিক বিনিয়োগ করা যায়- কীভাবে বিদেশি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করা যায়। তারই প্রমাণ মিলেছে ২০২১ সালে দুবাইতে দ্বিতীয় গ্লোবাল সামিটে। করোনা দুর্যোগেও তারা সফল একটি আয়োজনের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছেন আস্থা ও বিশ্বাস। বিষয়টি এমন- দেশে যেমন সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অর্থাৎ এনজিও কিংবা এমএফআইরা দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে চলেছে- তেমনই বিদেশে অবস্থানরত এনআরবিগণও ঠিক এ ধরনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল বিজনেস সামিট দুবাই-২০২১’ বাংলাদেশি উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীতো বটেই প্রবাসী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। সামিটের মূল স্লোগান ছিলো- Connect Your Business. গত বছরের ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে দুই দিনব্যাপি দ্বিতীয় গ্লোবাল বিজনেস সামিট-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহ্যবাহী ক্রাউন প্লাজা হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই সামিট উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। এনআরবি সিআইপি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির সিআইপির সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সামিটে কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তাসহ ১০০টির অধিক বিনিয়োগকারী এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তারাও যোগ দেন। তারা এসময় বিনিয়োগ ও রেমিটেন্সের সুযোগ উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং অর্থনৈতিক মিরাকেলস নিয়ে আলোচনা করেন।

৩০ সেপ্টেম্বর সামিটের দ্বিতীয় ও সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন এনআরবি সিআইপির অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির সিআইপি।

বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বাংলাদেশি মানেই কায়িক পরিশ্রমী- দরিদ্র শ্রমিক। যারা শ্রম বিক্রি করতে বিদেশে পাড়ি জমায়। কথাটি অনেকটা ঠিক হলেও বাংলাদেশেরও যে এক বিশাল উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী শ্রেণি প্রবাসে সাফল্যের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা এবং শিল্প স্থাপন করে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন তা অনেকেই জানেন না। এদেশের প্রকৌশলী, চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, আইনজীবীগণ যে আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শীর্ষ পর্যায়ের স্থান দখল করে আছেন, তাদেরও কেউ কেউ যে সেসব দেশের উল্লেখযোগ্য ‘বিজনেস ম্যাগনেট’ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন তাও অনেকের জানা নেই। শুধু তাই নয়, আমেরিকা ও ব্রিটেনের মতো দেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশি বাঙালিরা হাউজ অব কমন্সের মেম্বার ও সিনেট সদস্যসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন- বাংলাদেশকে অনন্য এক উঁচুতে নিয়ে গেছেন সে খবরইবা ক’জন রাখেন! এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি ম্যাগাজিন ‘বিজনেস আমেরিকা’ ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং এই ধারা অব্যাহত রেখেছে। এই ম্যাগাজিনে প্রচুর বাংলাদেশি বাঙালির নানা উদ্যোগ ও ব্যবসার চালচিত্র উঠে এসেছে। জাপান, হংকং, সিংগাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত, দুবাই, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, ওমান, কুয়েতসহ অনেক দেশে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ক্ষেত্রে প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছেন। এ ছাড়া আমেরিকা, কানাডা, ব্রিটেন, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্সসহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশেই খ্যাতিমান তারকা ব্যবসায়ী হিসেবে কেউ কেউ রীতিমতো বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছেন। এসকল উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীর অনেকেই বাংলাদেশে এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্পায়নে অংশ নিয়েছেন। অনেকেই পাঁচতারকা হোটেলসহ শিল্পখাতে বিনিয়োগ করেছেন এবং সফলও হয়েছেন। এছাড়া তারা শিক্ষার বিস্তারসহ সেবামূলক কার্যক্রমেও অবদান রেখে চলেছেন। তারা চান বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে উঠে আসুক। এটি তাদের হৃদয় থেকে চাওয়া। কারণ, প্রতিটি মানুষই তার শেকড়কে গভীরভাবে আটকে রাখতে চায়। চায় তার পরিচিতিকে উজ্জ্বল করে তুলতে। একসময় যে মানুষটি দারিদ্র্যকে সাথে নিয়ে বিদেশে গিয়েছিল, কিংবা ভাগ্যের সন্ধানে আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশে গিয়ে ‘অডজব’ করতে বাধ্য হয়েছে সেই মানুষটি এখন সফল উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী কিংবা সেখানকার রাজনীতির মূলধারায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। তিনি চান তার জন্মভূমি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন কাঠামো দেখেও বিশ্ববাসী অবাক। যখন পদ্মা সেতুর মতো নির্মাণাধীন বিশাল স্থাপনা দেখছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকায় মেট্রোরেল, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি টানেল, উড়াল সেতুসহ প্রশস্ত মহাসড়ক দেখছে- তারা বিস্মিত হচ্ছে।

স্বাভাবিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যকার জাতীয়তাবাদী চেতনার আলোকেই কাতারের দোহায় Third Global Business Summit QATAR- 2022 অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে শুধু প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীরাই নন- বাংলাদেশেরও অনেক উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী অংশগ্রহণের জন্য সংহতি প্রকাশ ও সম্মতি প্রদান করছেন। প্রত্যেকেরই স্বপ্ন- উন্নত বাংলাদেশ। আজকের ভারত দু’দশক আগেও শিল্পে অনেক পিছিয়ে ছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী ভারতীয় তথা ‘নন-রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ানরা (NRI)’ নিজেরা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন- তার সুফল এখন ভারতের অর্থনীতি পাচ্ছে। বাংলাদেশের যে সকল এনআরবি (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি) দেশকে এগিয়ে নেওয়ার একটি যোগসূত্র সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছেন নিঃসন্দেহে তারা দেশপ্রেমিক। তাদের মধ্যে দেশপ্রেম উজ্জীবিত হয়েছে বলেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে বিশ্বের অন্যরাও বাংলাদেশের শিল্প-পণ্য সম্পর্কে জানা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে। তারা জানতে পারবে- এ দেশে কোন কোন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিদ্যমান। একই সাথে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরাও পারস্পরিকভাবে একে অপরের সাথে পরিচিত হবার সুযোগ মিলবে। নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন তৈরিরও সুযোগ পাবেন। এভাবেই বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে যাবার অপার সুযোগ খুঁজে পাবে। অঢেল খনিজসম্পদ এবং শিল্প ও নিসর্গ মিলে কাতার বিশ্বের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র। এ দেশের রয়েছে সংগ্রামী ঐতিহ্য। কাতারে ‘বিজনেস আমেরিকা’ ম্যাগাজিনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গতিশীল উন্নয়ন এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে- একথা নিশ্চিত করে বলা যায়।   অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button