সাক্ষাৎকার

প্রতিটি বাঙালি নিজ দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আগ্রহী

আলীম আল রাজী প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

মেধা, শ্রম, নিষ্ঠা ও মননশীলতার মাধ্যমে প্রবাসেও যেসব বাংলাদেশি উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন তাদেরই একজন আলীম আল রাজী। বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর উপজেলার এই কৃতী মানুষটি এখন আর্জেন্টিনায় বাস করছেন। তিনি আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এবিসিসিআই) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আলীম আল রাজী চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। পরে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএসএস ডিগ্রি লাভ করেন। স্বপ্নদর্শী আলীম আল রাজী বরাবরই উন্নয়ন চিন্তার অধিকারী। তিনি তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই পৃথিবীর পথে পরিভ্রমণ শুরু করেন। ঘুরতে ঘুরতে তিনি আমেরিকা হয়ে আর্জেন্টিনায় গমন করেন। তিনি উপলব্ধি করেন, আর্জেন্টিনায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। তিনি এখানে থেকে যাবার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আর্জেন্টিনায় বসবাসের লক্ষ্যে সেখানে বেশ কিছু ব্যবসার উদ্যোগ নেন। বর্তমানে তিনি আর্জেন্টিনায় SATEX Fashion Ges SATEX Technologia এর প্রেসিডেন্ট। তিনি আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ারসে বসবাস করেন।
দেশের গর্বিত সন্তান তালুকদার আলীম আল রাজীর জন্ম টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার রূপের বয়ড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত তালুকদার পরিবারে। তার পিতামহ জাহাবজ তালুকদার ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তার পিতা ডা. মো. শামসুল হক তালুকদার ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং মা মিসেস রহিমা খাতুন ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। আলীম আল রাজী ভুয়াপুর প্রাইমারী স্কুল ও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করেন। তার স্ত্রী শামীমা একজন সফল উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী। প্রবাসেও দেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা তালুকদার আলীম আল রাজী অর্থকণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে যা বলেন এখানে তা উপস্থাপন করা হলো-

অর্থকণ্ঠ : আপনি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি, আর্জেন্টিনায় অবস্থান এবং ব্যবসা করছেন। আপনার উদ্যোগেই আর্জেন্টিনা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি গঠিত হয়েছে এবং আপনি এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট। প্রথম কবে আপনারা এই উদ্যোগ নিলেন?
আলীম আল রাজী : প্রবাসে থাকলেও আমাদের হৃদয় জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশ। আমি ২০০৯ সালে আর্জেন্টিনায় আসি ব্যবসায়িক কাজে। উপলব্ধি করি, এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করার অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। অন্য দেশের মাধ্যমে দুদেশের ক‚টনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আমরা যারা ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত, তারা উপলব্ধি করলাম, এখানে দু’দেশের উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীদের নিয়ে যদি একটি ট্রেড সংগঠন গড়ে তোলা যায়, তাহলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দু’দেশই লাভবান হবে। এই চিন্তা ভাবনা থেকেই ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (ডবিøউটিও) মিটিংয়ে দু’দেশের ৫ জন করে মোট ১০ জন উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীকে নিয়ে এই সংগঠনের কার্যকরী কমিটি করা হয়। কমিটিতে একজন প্রেসিডেন্ট, একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট, একজন সচিবসহ ৭ জন সদস্য। কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারিসহ ৩ জন সদস্য আর্জেন্টাইন। প্রেসিডেন্টসহ ৪ জন সদস্য বাংলাদেশি। সাধারণ সদস্য প্রায় ২০০। তাদের অধিকাংশই আর্জেন্টাইন।
অর্থকণ্ঠ : যে উদ্দেশ্য নিয়ে আপনারা এই চেম্বার প্রতিষ্ঠা করেছেন তা সফলতার মুখ দেখছে কি?
আলীম আল রাজী : দেখুন, যে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠা করে সাথে সাথে তার সুফল আশা করা যায় না। আমরা এটা গঠন করেছি দু’দেশের মধ্যেকার বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করার জন্য। বিশেষ করে বাংলাদেশ যাতে এদেশে বাণিজ্য করে লাভবান হয় এ জন্যে। বর্তমানে বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন, ভুট্টা, পোল্ট্রি ফিড ইত্যাদি আমদানি করে। আর বাংলাদেশ রপ্তানি করছে সিরামিক ও গার্মেন্টস পণ্য। সিরামিক এবং গার্মেন্টস এগুলো আমেরিকার মাধ্যমে হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, দু’দেশের মধ্যে ক‚টনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হলে এর পরিমাণ কয়েকশ’ গুণ বেড়ে যাবে।
অর্থকণ্ঠ : আপনারা ওখানে দূতাবাস কিংবা কনসুলেট প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সরকারের সাথে কথা বলেছেন কি?
আলীম আল রাজী : জী, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে জানিয়েছিলাম। বাংলাদেশে গিয়ে তার সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করছি সরকার আর্জেন্টিনার সাথে সরাসরি ক‚টনৈতিক সম্পর্ক চালুর উদ্যোগ নেবে। আমরা বলেছি যতদিন দূতাবাস না হয় তত দিন এখানে কনসাল জেনারেল নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনায় আপনারা যারা ব্যবসা করছেন তাদের লাইসেন্স পেতে কি জটিলতার মধ্যে পড়তে হয়েছে?
আলীম আল রাজী : আমি এখানে শুরুতে গার্মেন্ট প্রোডাক্ট আমদানির লাইসেন্স করি, পরে ইলেকট্রিক ও কৃষি উৎপাদনের সাথে সম্পৃক্ত হই। এখানকার সেন্ট্রাল আয়কর অথরিটি ইমিগ্রেশনের কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের প্রায় সাথে সাথেই লাইসেন্স ইস্যু করে। আমাকে কোনো দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে পড়তে হয়নি।
অর্থকণ্ঠ : ওখানে এখন বাংলাদেশির সংখ্যা কত? তারা সবাই ব্যবসায়ী?
আলীম আল রাজী : বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৫০০। তারা ব্যবসা ও চাকরি দুটোই করছে।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনার শিক্ষার হার কেমন? ওখানে বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ আছে কি?
আলীম আল রাজী : এখানে শিক্ষার হার ১০০%। লোকসংখ্যা ৪ কোটি ও বিশাল দেশ। এখানে শিক্ষা ফ্রি। আমি মনে করি, ক‚টনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হলে বাংলাদেশের প্রচুর ছাত্রছাত্রী এখানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। এছাড়া এদের প্রচুর জমি অনাবাদী পড়ে আছে। লিজ নিয়ে তা আবাদ করার সুযোগ আছে।
অর্থকণ্ঠ : আপনিও কি এগ্রিকালচার ল্যান্ড লিজ নিয়েছেন?
আলীম আল রাজী : আমি ১১০ একর জমি লিজ নিয়ে সয়াবিন উৎপাদন করছি।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনার সরকার ব্যবস্থা কোন ধরনের? নির্বাচন কতটা স্বচ্ছতার সাথে হয়ে থাকে?
আলীম আল রাজী : এখানে প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেম অব গভর্নমেন্ট। যথেষ্ট স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন হয়।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনা কতটা শিল্পায়িত?

আলীম আল রাজী : এ দেশে প্রচুর শিল্প থাকলেও এখনো এটি কৃষিপ্রধান অর্থনীতির দেশ। ব্রাজিল কানাডার পরই কৃষি উৎপাদনের দিক থেকে আর্জেন্টিনার অবস্থান। সয়াবিন, ধান, গমসহ অনেক ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়। এখানে শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বড় বাধা হচ্ছে শ্রমিকের অভাব।
অর্থকণ্ঠ : এক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশ থেকেও শ্রমিক আমদানি করতে পারে কি?
আলীম আল রাজী : এজন্যেই অতি দ্রæত এদেশের সাথে বাংলাদেশের ক‚টনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে। এটি ঘটলে বাংলাদেশ অনেকভাবেই লাভবান হবে। এখানে শ্রমিকের অভাবে শিল্পায়ন গতিশীল হচ্ছে না। যদি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিক আনার সুযোগ সৃষ্টি হয় তবে এখানে অনেক উদ্যোক্তাই শিল্প স্থাপনে উদ্যোগী হবে। এছাড়া, আমাদের দেশেও এখানকার উদ্যোক্তারা শিল্প স্থাপনে আগ্রহী হবেন। কারণ আমাদের দেশে শ্রমমজুরি এখনো অনেক কম।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনায় বর্তমান আনএমপ্লয়মেন্ট এর হার কত? সেখানকার নাগরিকরা কতটা রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করেন বিশেষ করে নারীরা?
আলীম আল রাজী : বর্তমানে এখানে আনএমপ্লয়মেন্টের হার ১৮.৩% তবে তারা সরকারি ভাতা পেয়ে থাকেন। এই আনএমপ্লয়মেন্ট হচ্ছে যোগ্য কাজ না পাওয়া। এখানে নারীদের বিভিন্ন ভাতা দেওয়া হয়। গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণ ভাতা, মাতৃভাতা দেওয়া হয়। তাদের সন্তান ভ‚মিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত সকল ধরনের চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করে।
অর্থকণ্ঠ : আর্জেন্টিনার কোনো অর্গানাইজেশন কি বাংলাদেশ সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে আপনাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে?
আলীম আল রাজী : এখানে বুক ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন বাঙালির ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বেশ আগ্রহী হয়ে আমাদের নিয়ে যৌথ আলোচনা করেছে। আমরা মহান একুশে ফেব্রæয়ারির সাহসিকতার কথা বলেছি। বলেছি, পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছি, রক্ত দিয়েছি; এজন্যেই একুশে ফেব্রæয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পেয়েছে।
তাদের আগ্রহ আছে বাংলাদেশের কবি-সাহিত্যিকদের সে দেশে আমন্ত্রণ জানাবে, ভাষা বিষয়ে আরো তথ্য জানবে। এটি সত্যিই আমাদের গর্বের বিষয়।
অর্থকণ্ঠ : আপনারা যারা বিদেশে ব্যবসা করছেন তারা কি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন?
আলীম আল রাজী : প্রতিটি বাংলাদেশি বাঙালিই নিজ দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে আগ্রহী। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে যতই বলা হোক না কেন- বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিদ্যমান, বিনিয়োগ নিরাপত্তা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তা কতটুকু? প্রবাস থেকে দেশে ফেরার মুহ‚র্তে ঢাকা বিমানবন্দরেই শুরু হয় লাঞ্ছনা গঞ্জনা। মনে হয় প্রবাসীরা বিদেশে গিয়ে ভীষণ অন্যায় করেছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে নানা অজুহাতে গ্রামের বাড়িতে পর্যন্ত মাস্তান ও পুলিশ হয়রানি করে। কিন্তু এটা ভাবে না যে- এই দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কি অসামান্য অবদান রাখছেন।
বিশেষ করে এয়ারপোর্টে তাদেরই নিয়োগ দেওয়া উচিত যারা সত্যিকারের সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করবে। অপরাধী ধরা আর সকলকে অপরাধী ভেবে হয়রানি করা দুই জিনিস।
অর্থকণ্ঠ : এ ব্যাপারে আপনার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা বলবেন কি?
আলীম আল রাজী : অবশ্যই হয়েছে। আমি বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে ঢাকা যাই। এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা- আপনি কবে কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে আর্জেন্টিনা গেলেন? এই ৮/৯ বছর আসেননি কেন? বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আপনাকে কেন ডেকে আনলো ইত্যাদি সব অবান্তর প্রশ্ন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন এডিশনাল সেক্রেটারি আমাদের রিসিভ করার জন্য এয়ারপোর্টে ছিলেন, তিনি আমাদের এসব পরিস্থিতি থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। আমার কথা হচ্ছে, তারা যে বিষয়টি দেখবে তা হলো আমার ভ্রমণ অবৈধ কিনা, আমার কাছে অবৈধ মালামাল আছে কিনা ইত্যাদি। তা না করে হয়রানি করাটাই যেন তাদের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিংবা প্রবাসীরা দেশে ফিরতে অনাগ্রহী হয়ে পড়তে পারে- তা তারা চিন্তা করে না।
অর্থকণ্ঠ : বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনি কতোটা আশাবাদী?
আলীম আল রাজী : আমি বিশ্বাস করি, নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে। তারা রাজনীতিতেও পরিবর্তন নিয়ে আসবে। হিংসা আর প্রতারণার রাজনীতির বদলে সত্যিকার উন্নয়নমুখী একটি গণতান্ত্রিক দেশ সবার প্রত্যাশা। আশা করছি বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে সব ক্ষেত্রেই মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।
অর্থকণ্ঠ : আপনারা প্রবাসী বাংলাদেশিরা কি দেশের নির্বাচনে ভোটাধিকার চান?
আলীম আল রাজী : অবশ্যই চাই। তবে তা যেন শুধু লোক দেখনো না হয়- এটি যেন যথাযথভাবেই হয় এবং সত্যিকার ভোটাধিকার যেন পাওয়া যায়।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : এনামুল হক এনাম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button