
২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমান বিনিময়যোগ্য স্মারক ব্যাংক নোট এবং বিনিময়যোগ্য নয় এমন ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট ও স্মারক রৌপ্যমুদ্রা মুদ্রণ করেছে। ২৮ মার্চ থেকে উক্ত স্মারক ব্যাংক নোট, স্মারক নোট ও স্মারক রৌপ্যমুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শাখা অফিস থেকে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সম্বলিত বর্তমানে প্রচলিত ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটে বিদ্যমান রং ও ডিজাইন সম্মুখভাগের ডিজাইন: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। নোটের পেছনভাগের ডিজাইন, ‘মই দেয়া’ জলরং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন অপরিবর্তিত রেখে নোটের সম্মুখভাগের ডানদিকে জলছাপ এলাকার নিকটে লাল-সবুজ রঙে একটি পৃথক স্মারক লোগো সংযোজন করা হয়েছে। ১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৩০ মি.মি. গুণিতক ৬০ মিমি পরিমাপের ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ব্যাংক নোটটিতে ব্যাংক নোটের অন্যান্য সকল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (নিরাপত্তা সুতা, জলছাপ, মাইক্রোপ্রিন্ট, সম্মুখভাগে খসখসে লেখা ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে।
উল্লেখ্য, নতুন প্রচলনে দেয়া ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক ব্যাংক নোটটি বর্তমানে প্রচলনে থাকা ৫০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোটসমূহের মতো দৈনন্দিন লেনদেনে ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৩০ মি.মি. গুণিতক ৬০ মি.মি. পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ এলাকার নিকটে স্মারক লোগো মুদ্রিত রয়েছে। নোটের উপরে মাঝখানে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ এবং নিচে মাঝখানে ‘ঋওঋঞণ ঞঅকঅ’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে ডানকোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৫০’, নিচে ডানকোণে মূল্যমান বাংলায় ‘$৫০’ লেখা রয়েছে।
নোটের পেছনভাগে ‘১৯৭১: মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ছবি মুদ্রিত রয়েছে। নোটের উপরিভাগে ‘এড়ষফবহ ঔঁনরষবব ড়ভ ওহফবঢ়বহফবহপব ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে বামকোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ এবং ডানকোণে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের নিচে ডানকোণে মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৫০’ এবং মাঝখানে ‘পঞ্চাশ টাকা’ লেখা রয়েছে।
শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ডানে দুই মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘৫০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সম্বলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধুমাত্র খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা ।
৫০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩৮ মিলিমিটার ব্যস বিশিষ্ট ও ৯২৫ ফাইন সিলভার দ্বারা নির্মিত স্মারক রৌপ্যমুদ্রাটির ওজন ৩০ গ্রাম। স্মারক মুদ্রাটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি (৭ মার্চের ভাষণ), প্রতিকৃতির নিচে মূল্যমান কথায় ও অঙকে ‘পঞ্চাশ ৫০ টাকা’ এবং প্রতিকৃতির উপরে অর্ধবৃত্তাকারভাবে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। স্মারকমুদ্রার পেছনভাগে ইংরেজিতে ‘৫০’ এবং ‘০’ এর মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ ও এর নিচে ‘১৯৭১-২০২১’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, স্মারকমুদ্রার উপরিভাগে অর্ধবৃত্তাকারভাবে ‘এড়ষফবহ ঔঁনরষবব ড়ভ ওহফবঢ়বহফবহপব’ এবং নিচে ইংরেজিতে মূল্যমান ‘ঋওঋঞণ ঞঅকঅ’ মুদ্রিত রয়েছে। স্মারক রৌপ্যমুদ্রাটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্মারক বাক্সসহ চার হাজার টাকা।
অর্থকণ্ঠ ডেস্ক


