অর্থনীতি

কাজী হেলাল আহমেদ কিংবদন্তি উদ্যোক্তা ব্যক্তিত্ব যিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ খাতে বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন

কাজী হেলাল আহমেদ

কাজী হেলাল আহমেদ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নন- ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একজন দক্ষ, প্রাজ্ঞ, মেধাবী এবং অভিজ্ঞ কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব। তিনি নিউ ইয়র্কের গ্লোবাল ফিন্যান্স সেক্টরের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান International Finance & Development Corporation (IFDC) এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও।

তিনি বাংলাদেশের এক গর্বিত সন্তান। বাংলাদেশি আমেরিকান কাজী হেলাল আহমেদ এর জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এক সম্ভ্রান্ত শিক্ষিত পরিবারে। তার পিতার নাম মরহুম কাজী আবুল কাশেম ও মা জোহরা বেগম।

কাজী হেলাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আমেরিকা যাবার জন্যে Toefl পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ রেকর্ড নম্বর ৬০০ এর মধ্যে ৫৮০ পান। তিনি ১৯৮৬ সালে আমেরিকার University of Utah, Saltlake City Utah, USA থেকে অর্থনীতিতে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ফিন্যান্স বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

কাজী হেলাল আহমেদ তারুণ্যেই হয়ে ওঠেন অদম্য এক উদ্যোক্তা। বেশ হিসাব-নিকাশ করে তিনি ব্যবসা অঙ্গনে যুক্ত’হন। সৃজনশীল ও মেধাবী তরুণ কাজী হেলাল লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব উপেক্ষা করে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায় নামেন। কারণ, তিনি উপলব্ধি করলেন, চাকরি করে শুধু নিজের অবস্থানের উন্নয়ন সম্ভব; কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে শুধু নিজের নয়, অনেকের উপকার ও কর্মসংস্থান করা সম্ভব। এই চিন্তা থেকেই মেধাবী এবং স্বপ্নদর্শী তরুণ কাজী হেলাল ১৯৮৯ সালে নিউ ইয়র্কে প্রথম ব্যবসা শুরু করেন। তিনি নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের টাইম স্কয়ারের কেন্দ্রস্থলে একটি উপহার এবং ক্যান্ডির দোকান ক্রয় করেন। কথায় আছে, টাইম স্কয়ার কখনো ঘুমায় না; ফলে, তার Shop ২৪ ঘণ্টা চালু থাকতো। ১৯৯০ সালে তিনি Bronx-এ একটি ডিপার্টমেন্টাল শপ ক্রয় করেন- যার নাম ছিল সিটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর। এভাবেই একজন শিক্ষিত মেধাবী কাজী হেলাল-এর উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী হিসেবে পথচলা শুরু।

তিনি ১৯৯২ সালে নিউ ইয়র্ক সিটির ২৯২ পঞ্চম এভিনিউ চতুর্থ তলায় গার্মেন্টস বায়িং হাউজ এবং শোরুম ব্যবসা শুরু করেন। সে সময় তার পারিবারিক বন্ধু ওয়ালিদ আহমেদও এ ব্যবসা শুরু করেন। ওই সময় সম্ভবত তারাই প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান যারা নিউ ইয়র্ক সিটিতে গার্মেন্টস বায়িং হাউজ করে বাংলাদেশের গার্মেন্ট সেক্টরকে প্রমোট করেন। একই সময় তিনি ঢাকাতেও বায়িং হাউজ স্থাপন করেন। ওই সময় বাংলাদেশে বায়িং হাউজের কনসেপ্ট ছিল নতুন।

উল্লেখ্য, ওই সময় অনেক আমেরিকান ক্রেতাই বাংলাদেশের পোশাকের সাথে পরিচিত ছিল না। এমনকি অনেকে বাংলাদেশ কোথায় অবস্থিত তাও জানতেন না। সে সময় তিনি মানচিত্র সাথে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা দিতেন। শীর্ষ আমেরিকান ক্রেতাদের সাথে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি শীর্ষ পর্যায়ের বায়ারদের যার মধ্যে S. Rothschild & Company One of the Largest outwear-Jackets buyers in USA, (children outerwear Company), Age Group (One of the largest women sleepwear and undergarments buyers in USA), Weatherproof Garments Company, Daron Fashion, Free Country নামের প্রতিষ্ঠানগুলো পোশাক পণ্য তৈরি করতো। Macy’s, JC Penny, Walmart, Sears, BJ ইত্যাদিসহ অন্যান্য চেইন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরস Disney, Polo, US Polo, Hello Kitty, Flora Nikrooz, London Fog, Anerex, Wheatherproof ইত্যাদি ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রেতাদের বাংলাদেশের পোশাক সম্পর্কে বুঝিয়েছেন, তারা গার্মেন্ট পণ্য ক্রয়ের ব্যাপারে সম্মত হন এবং কয়েক বিলিয়ন ডলারের পণ্য বাংলাদেশ থেকে ক্রয় করেন।

 

বিশ্বখ্যাত অমব Age Group এর ইহুদি ধর্মাবলম্বী মালিক ও সিইও Richard Adimi যাকে সবাই Richie বলে ডাকতো- তিনি ছিলেন কাজী হেলালের গার্মেন্টসের প্রথম বায়ার অর্থাৎ বলা যায় বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাতের প্রথম বায়ার। পরবর্তী সময়ে Richie-র সাথে কাজী হেলালের গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে রিচি তার ব্যবসার অংশীদার হয়ে ওঠে। যা প্রায় তিন দশক ধরে রয়েছে। মূলত তাদের পরিবার নিউ ইয়র্কে ‘Adimi Family’ নামে পরিচিত যারা নিউ ইয়র্কের অত্যন্ত সম্মানজনক, মর্যাদাপূর্ণ, সুপরিচিত এবং যথেষ্ট প্রভাবশালী। তার মাধ্যমে কাজী হেলালের গার্মেন্ট ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসাসহ অনেক ব্যবসাতেই জুইস পার্টনার রয়েছে। নিউ ইয়র্কে তাদের একটি জেভি অংশীদারত্বে রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সংস্থা ছিল।

 

মূলত বাংলাদেশের গার্মেন্ট সেক্টরকে তিনিই নিউ ইয়র্কে প্রথম প্রমোট করেন যা এখনো অব্যাহত। ১৯৯৮ সালে তিনি নিউ ইয়র্কে Monarch Garments নামে একটি গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করেন। এক বছর পর তিনি এটি Manhatton ৩৮তম স্ট্রিট, ৮৬ এভিনিউ গার্মেন্ট ডিস্ট্রিক্টে স্থানান্তর করেন।

তিনি ২০০১ সালে বেসরকারি খাতের ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট এবং আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট ফাইন্যান্সিং কোম্পানি International Finance & Development প্রতিষ্ঠা করেন। যা বিশ্বজুড়ে IFDC হিসেবে পরিচিত।

ব্যবসা-বাণিজ্যের এক পর্যায়ে তিনি ভাবলেন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারলে বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠানকেই সহযোগিতা করা সম্ভব। এতে করে ব্যাপক মানুষের কর্মসংস্থানও সম্ভব হবে। এই চিন্তা-চেতনা থেকেই তিনি ২০০১ সালে IFDC প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি নিউ ইয়র্কের স্টেট ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক অনুমোদিত ফাইন্যান্সিং কোম্পানি। নিউ ইয়র্কের মতো জায়গায় এ ধরনের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়েই শুরু করলেন ব্যবসা। IFDC একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অর্থায়ন সংস্থা, পেনশন তহবিল এবং বেসরকারি ইক্যুইটি তহবিল; বিশ্বজুড়ে IFDC’র ৫০টিরও বেশি দেশে অনুমোদিত এজেন্ট এবং প্রতিনিধি রয়েছে। তিনি IFDC এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও।

IFDC-র রয়েছে হাইড্রো-ইলেকট্রিক পাওয়ার, ওয়াইল্ড অ্যান্ড সোলার পাওয়ার, সরকারের অবকাঠামোগত প্রকল্প, আবাসন খাতের উন্নয়ন, স্টুডেন্ট হাউজিং, হোটেল এবং রিসোর্টসমূহ। IFDC বিশ্বব্যাপী অয়েল অ্যান্ড গ্যাস প্রজেক্টেও বিনিয়োগ করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট এবং বিশ্বব্যাপী বৃহৎ আকারের অবকাঠামোগত প্রকল্পে বিশেষ করে ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের প্রকল্প অর্থায়নে বিশেষ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে। উদ্যোক্তা ব্যক্তিত্ব IFDC’র গুণী প্রেসিডেন্ট ও সিইও কাজী হেলাল আহমেদ এর নিরন্তর প্রচেষ্টাতেই এই গ্রুপের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটছে।

তিনি Prime Industries USA Inc. এর চেয়ারম্যান অ্যান্ড সিইও, Pacific Pearl Hotels Mgt. NYC, LLC’র প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও, IFDC Capital Funding এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও, United Solar Power Corp. এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও, IFDC Vulcan Energy Corp এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও, Kingstone Development Corp. LLC এর  কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড প্রেসিডেন্ট, Paradise International Company’র প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও এবং Millennium Holding Ltd. এর কো-ফাউন্ডার এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান।

 

কাজী হেলাল ২০০১ সালে বাংলাদেশে একটি জেভি হোটেলে বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সংস্থা গঠন করেন- এই সংস্থার নাম মিলেনিয়াম হোল্ডিংস লিমিটেড। তিনি বিশ্বখ্যাত হিল্টন হোটেলের উদ্যোক্তাদের ‘ঢাকা হিল্টনে’র জন্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। তিনি হিল্টন হোটেল কর্পোরেশনের সাথে ঢাকা হিল্টনের জন্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

 

তিনি জেভির অংশীদারিত্বের সাথে দেশে বৃহত্তম হোটেল গ্রুপগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে- এরকম শীর্ষ ১০০ বৃহত্তম হোটেল সংস্থার মধ্যে শীর্ষ ১০ তাদের আওতাধীন। এসব হোটেল গ্রুপের অধীনে তাদের ৩ বিলিয়ন ইউএস ডলারের বেশি আতিথেয়তা সম্পদ ছিল, এর মধ্যে কয়েকটি সম্পদ ইতোমধ্যে বিক্রি হলেও এখনো তাদের দেশব্যাপী ৩০টি সম্পদ রয়েছে।

 

তার পরিকল্পিত উদ্যোগে একটি বৃহৎ জ্বালানি শক্তি গ্রুপের সাথে অংশীদারত্ব সৃষ্টি করে এবং শক্তি ও বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্যে আইএফডিসি ভ্যালকান এনার্জি গ্রুপ গঠিত হয়েছে। আইএফডিসি একটি সৌরবিদ্যুৎ সংস্থা ইউনাইটেড সৌর শক্তি পেয়েছে- যা বিশ্বব্যাপী বৃহৎ সৌরশক্তি কেন্দ্র বিনিয়োগ, উন্নয়ন এবং পরিচালনা করেন কাজী হেলাল আহমেদ এবং তার সহকর্মীরা।

 

কাজী হেলাল আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও গ্যাস সংস্থাগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং তার সংস্থা ক্রুড অয়েল, ডিজেল, জেট ফুয়েল, এলএনজি, এলপিজি ইত্যাদি পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রয়কারী হিসেবে কাজ করছে। এই সংস্থা প্রতিমাসে ৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল, মাসে ১ মিলিয়ন এমটি ডিজেল এবং মাসে ২ মিলিয়ন ব্যারেল জেট ফুয়েল সরবরাহ করতে সক্ষম।

প্রাইম ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ তাদের গ্রুপের নতুন প্রতিষ্ঠান। তিনি এর জন্যে ইউএস এফডিএ থেকে অনুমোদন পেয়েছেন। এন্টিব্যাকটেরিয়াল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল তরল সাবান, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ডিশ ডিটারজেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ক্লিনিং স্প্রে প্রস্তুতকারক হিসেবে প্রাইম ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

 

সময়ের পরীক্ষিত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান IFDC তাদের প্রাতিষ্ঠানিক মানসম্মত সেবা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কিছু পদক ও সম্মাননা লাভ করেছে। এর মধ্যে ২০১২ সালে ম্যানহাটন অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম-এর পক্ষ থেকে Best of Manhattan, ২০১৬ সালে Corporate America-News (a leading magazine of US Business markets) এ প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Best Diversified Private Equity Investment Group-USA & Recognized leaders in Oil & Gas-USA’ হিসেবে উল্লেখ করে। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পত্রিকা Al Global Media সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘Most Diversified Private Equity Investment Group & Most Trusted in Debt and Equity Funding’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে।

 

বিশ্বের আলোকিত নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান IFDC শুধু যে আমেরিকার অর্থনীতিকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে- তাই নয়, এ প্রতিষ্ঠান বিশ্বের দেশে দেশে অর্থনীতিকে গতিশীল করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। এ প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা কাজী হেলাল আহমেদ একটি কল্যাণ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। তিনি মনে করেন, এই প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য ফান্ড এবং সেই ফান্ড প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়ন করে বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। IFDC ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

 

সময়ের উদ্যোক্তা ব্যক্তিত্ব কাজী হেলাল আহমেদ একজন ধী-শক্তিসম্পন্ন বিনিয়োগ অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে তিনি গর্বিত। তিনি মনে করেন বাংলাদেশি অভিবাসীরা দু’দেশের মধ্যেকার ‘সেতুবন্ধন’। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ব্যাপারেও আশাবাদী। 

 

নিউ ইয়র্কে বসবাসরত সুখী দম্পতি কাজী হেলাল ও মিসেস সাবরিনা কাজী হেলাল Jamie Kazi নামের এক পুত্রের জনক-জননী। ব্যবসা ও শেকড়ের টানে তিনি মাঝে মাঝেই দেশে আসেন। জেমি কাজী ফিন্যান্সে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতির একজন উদীয়মান তারকা।

 

কাজী হেলাল আহমেদের অনুমোদন সাপেক্ষেই IFDC ২০১৯ সালের অক্টোবর US Exim Bank এর গ্যারান্টিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালকে উন্নত মানের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের লক্ষ্যে স্বল্প সুদে ১১ মিলিয়ন  ইউএস ডলার ঋণ সুবিধা দিয়েছে।

 

কথা প্রসঙ্গে কাজী হেলাল আহমেদ বলেন, যে কোনো কাজের জন্যে প্রথমে স্বপ্ন থাকা প্রয়োজন। এরপর পরিকল্পনা ও লক্ষ্য অর্জনের জন্যে অক্লান্ত পরিশ্রম দরকার।

 

দূরদর্শী কাজী হেলাল আহমেদ এ সময়ের একজন কিংবদন্তি উদ্যোক্তা ব্যক্তিত্ব যিনি বিশ্বের দেশে দেশে বিনিয়োগ খাতে বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের এক অনন্য গর্বিত সন্তান-যিনি অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টিান্ত স্থাপন করে চলেছেন।

অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button