
আত্মপ্রত্যয়ী এক তরুণ উদ্যোক্তার নাম জাহিদুল আলম জয়। তিনি দেশের পোশাক শিল্পখাতের সফল তরুণ ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের অন্যতম। মেধাবী ও আলোকিত এই উদ্যোক্তা জয় অটো গার্মেন্টস লি., নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট, নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট লি., হুমাইরা স্টিকারস অ্যান্ড জেসি এমব্রয়ডারি এবং জেসি এমব্রয়ডারি’র সিইও অ্যান্ড ডিরেক্টর।
সময়ের আলোকিত তরুণ জাহিদুল আলম ‘জয়যাত্রা টেলিভিশনের’ ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তিনি ‘জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন’ ট্রাস্টি বোর্ডের জেনারেল সেক্রেটারি এবং Hermes Trading-এর প্রোপ্রাইটর। জাহিদুল আলম জয় একদিকে যেমন পারিবারিকভাবে ব্যবসা অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব, তেমনই একজন পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী। ফলে বিশাল একটি শিল্প সাম্রাজ্য পরিচালনা করতে কোনো অসুবিধাই হয় না তার। এ সবের পাশাপাশি এই তরুণ বিভিন্ন ট্রেড সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি গুলশান ক্লাব লিমিটেড ঢাকার একজন সক্রিয় সদস্য। পরিশ্রমী তরুণ জাহিদুল আলম জয়ের জন্ম ১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার এক অভিজাত ব্যবসায়ী পরিবারে। তার পিতা জাহাঙ্গীর আলম একজন বিশিষ্ট উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী এবং মা হেলেনা জাহাঙ্গীর দেশখ্যাত একজন নারী উদ্যোক্তা, সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।
উল্লেখ্য, হেলেনা জাহাঙ্গীর ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)’র নির্বাচিত পরিচালক এবং জয়যাত্রা টেলিভিশনের উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান। তিনি নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

স্বপ্নদর্শী তরুণ জাহিদুল আলম জয় ছাত্র হিসেবে প্রখর মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইলেক্ট্রনিকস অ্যান্ড ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জনের পর পারিবারিক শিল্প ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন। তার স্ত্রীর নাম আনিকা আলম, তিনি গৃহবধূ। তারা একমাত্র ছেলে আজমীর জে আলমের গর্বিত পিতা-মাতা।
মেধাবী ও সুদর্শন জাহিদুল আলম জয় দেশের উন্নয়ন নিয়ে বেশ ভাবেন। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার একটি দেশ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে এ দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য ছিল এদেশকে সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় রূপান্তর করা। আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়েছি। এটি সম্ভব হয়েছে বর্তমান সরকারের প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি দেশের কৃষি শ্রমিকদের প্রচেষ্টা এবং আন্তরিকতায়। এ সুবাদে কৃষি খাতে এই উন্নয়ন এসেছে।
তরুণ উদ্যোক্তা জাহিদুল আলম জয় মনে করেন, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। দেশে বেশকিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগ ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মনে করেন।
একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি বলেন, পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে না ঘুরে তরুণদের উচিত আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া। জাহিদুল আলম জয় বলেন, বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা শ্রেণির পরিকল্পিত উদ্যোগের ফলে দেশে শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে অচিরেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের একটি অন্যতম রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে তিনি আশা করেন।
অর্থকণ্ঠ প্রতিবেদক



