বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে সকল ব্যবসায়ী নাগরিক নিজেদের প্রচেষ্টায় বিদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখলে সক্ষম হয়েছেন তাদের মধ্যে কানাডার ইনসলভেন্সি প্র্যাকটিশনার নাসরিন খান অন্যতম। তিনি কানাডিয়ান ইনসলভেন্সি রিস্ট্রাকচারাল প্রফেশনাল (CAIRP) লাইসেন্সিং রেগুলেটরি বডির একজন সম্মানিত সদস্য। তিনি কানাডায় অবস্থিত ভারত, পাকিস্তান, ফিcলিপাইন, সুদান, হায়াতি, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের কানাডিয়ান কমিউনিটির মধ্যে লাইসেন্সড ইনসলভেন্সি প্র্যাকটিশনার হিসেবে সেবা দিয়ে আসছেন। একজন উল্লেখযোগ্য উদ্যোক্তা- ব্যবসায়ী হিসেবে টরেন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তিনি বেশ সম্মানিত এবং গ্রহণীয় একজন মানুষ। নাসরীন খান কানাডার টরেন্টোর ডেবট সলিউশনস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল কনসালটেন্সির প্রতিষ্ঠাতা। তার কর্মদক্ষতায় টরেন্টোতে বাংলাদেশি কমিউনিটির দুই হাজারেরও বেশি ক্লায়েন্ট ঋণমুক্ত হবার সুযোগ লাভ করেছেন। তিনি বিগত ১৮ বছর ধরে বাংলাদেশের কমিউনিটির বিভিন্ন ইভেন্টে ‘নিজেকে ঋণ মুক্ত করুন, সূচনা করুন একটি সুন্দর ভবিষ্যতের’ শীর্ষক একটি ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছেন।
তার ডেবিট সলিউশন অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল কনসালটেন্সি একটি লাইসেন্সড ডেবট ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানি। তাদের মূল ব্যবসা হচ্ছে দেউলিয়া প্রস্তাব- (Bankruptcy Proposal and Money Management)। কানাডিয়ান বিজনেস ট্রেড বোর্ডের মেম্বার এই কোম্পানি দক্ষিণ এশিয়ার অসংখ্য শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম ও আলোচনার মাধ্যমে ঋণমুক্ত ভবিষ্যৎ গঠনে পরামর্শ দিয়ে আসছে। নাসরিন খান প্রায় ২৮,০০০ দক্ষিণ এশীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয় এক নাম। স্টুডেন্ট লোনের ব্যাপারে সমাধান এবং নিজের ভবিষ্যতকে সুদৃঢ় করার ব্যাপারে তারা বিভিন্ন সেমিনারের মাধ্যমে নাসরিন খানের কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ গ্রহণ করে। South Asian Generation Next নামক একটি পত্রিকা প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে আয়োজন করে সেখানে তিনি একজন নিয়মিত আমন্ত্রিত ব্যক্তি। তিনি এছাড়াও ব্র্যাক বাংলাদেশ-এর বেশকিছু প্রজেক্টে কাজ করেছেন যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো হিড বাংলাদেশ এবং আড়ং।
ব্যক্তিত্বে উজ্জ্বল এই উদ্যমী নারী কানাডার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কর্তৃক রাজনীতিতে অংশগ্রহণের লোভনীয় আমন্ত্রণ পেয়েও এর থেকে দূরে সরে আছেন। এনডিপির প্রয়াত নেতা জ্যাক লেটন কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিতে নাসরিন খানকে একাধিকবার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু নাসরিন খান মনে করেন- রাজনীতির চেয়ে মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে পারলে বেশি জনসেবা ও উপকার করা যায়।
নাসরিন খানের আরেকটি বিশেষ পরিচয়- তিনি আহিলি টিভির প্রতিষ্ঠাতা। আহিলি টিভি ১২৯ মিলিয়ন বাংলাদেশি প্রবাসীর একটি জোরালো ভয়েজ। তিনি এই টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠার পর থেকে ‘দ্য প্রফেশনালস’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন যাতে কমিউনিটির বিভিন্ন পেশার পেশাদার ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ করে সমসাময়িক ব্যাপারে আলোচনা করেন। আহিলি একটি বাংলা শব্দ যার অর্থ বিশুদ্ধ। এই চ্যানেল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে তার কর্মদক্ষতা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক এবং জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে।
নাসরিন খানের এই মনোবৃত্তির পেছনে তার পারিবারিক ঐতিহ্য কাজ করে। তার পিতামহ খান বাহাদুর সদরুদ্দিন ১৯৩৬-১৯৪৬ সালে বরিশালের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমএলএ ছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ভারতের কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। বরিশালের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং আগেরপুর রোডের ওমেন কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটি প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর অবদান অনেক। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। বরিশাল সদর রোডে অবস্থিত আগেরপুর জমিদার বাড়ির মালিক ছিলেন নাসরিন খানের মায়ের চার নানী। তাঁরা সেই ব্রিটিশ ভারতে নারীশিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। BGMEA এর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট রুবানা হক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথিতযশা নাট্যকার আতিকুল হক চৌধুরীও এই পরিবারেরই সদস্য। নাসরিন খানের পিতা প্রয়াত কাজী মুজিবুর রহমান বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে অবস্থিত সুবিশাল ইটের ভাটাটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে এই ইটের ভাটাসহ বিশাল জায়গাটি হাজী আদম আলীর নিকট বিক্রয় করেন। কাজী মুজিবুর রহমান ঠিকাদারি ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল মেসার্স কে.এম. রহমান। তিনি PWT Contractor Association এর সভাপতি ছিলেন। বরিশালের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ তাঁর প্রতিষ্ঠানই করেছে। তিনি সিমেন্স পাওয়ার মিটারেরও এজেন্ট ছিলেন। জানা যায়, ১৯৬০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কনট্রাক্টরদের এক লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিলে তিনি এই টাকার বড় অংশ মোহামেডান ক্লাবকে দান করেন। ক্লাবটির পেছনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি মোহামেডান ক্লাবের আজীবন সেক্রেটারি হিসেবে সম্মানসূচক পদে আসীন ছিলেন। তিনি শিল্প-সংস্কৃতির সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ক্যালকাটা থিয়েটারের তিনি ছিলেন অন্যতম উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা। প্রথম জীবনে তিনি বাগেরহাট কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক ছিলেন।
কাজী মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়সহ অর্থ ও খাবার সরবরাহ করতেন। তাঁর বাড়িতেও মুক্তিযোদ্ধারা থাকতেন। এ সময় তাঁর নিজের পরিবার-পরিজন পাকিস্তানি হানাদারদের ভয়ে গ্রামের বাড়িতে পালিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। নাসরিন খান তার পিতাকে একাধিকবার প্রশ্ন করেছেন, ‘তোমার বন্ধুরা সবাই ফ্যাক্টরি করেছেন, বিনিয়োগ করে সফল ব্যবসায়ী হয়েছেন অথচ তুমি এসব না করে এত টাকা দান করলে কেন?’ উত্তরে দৃঢ় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কাজী মুজিবুর রহমান প্রতিবারই বলেছেন, ‘দেশটা স্বাধীন হওয়ার দরকার ছিল এবং এই স্বাধীনতার জন্যে সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিল এদেশের যুবকদের অংশগ্রহণ।’
এই পরিবারের মেধাবী ও আত্মপ্রত্যয়ী সন্তান হিসেবে নাসরিন খান যথেষ্ট সৃজনশীল ও মানবিক একজন নারী। তিনি গ্রেটার বরিশাল ক্লাবের সাথে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে সম্পৃক্ত- যে ক্লাবটি কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করছে। এরই মধ্যে তার উদ্যোগে একটি বৃদ্ধ নিবাস গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিজাত পরিবারের সন্তান নাসরীন ১৯৯৩ সালে কানাডায় পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আসেন। তিনি মনট্রিলের মাগাসিল বিশ্ববিদ্যালয়ে BSW প্রোগ্রামে পড়াশোনা করেন। তিনি ডারহাম কলেজ থেকে কম্পিউটার যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সাফল্যের সাথে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কানাডার Bell, VeriSignNetwork Solutions, Bank of Montreal, IG Wealth Management এ দক্ষতার সাথে কাজ করেন। Bell Canada পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি। এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুবাদে পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ কমিউনিকেশন লিডার Michael Sabia এবং George A. Cope এর সাথে পরিচয় ঘটে তার। তারা নাসরিন খানের কাজের পারফরমেন্সের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে অভিনন্দন জানান। কানাডায় ২০০৬ সালে বাংলাদেশি চ্যানেল হিসেবে এটিএন বাংলা প্রচারিত হ‘তো রজার্স ক্যাবলে। সেখানে নিয়মিত নাসরিন খানের গান সম্প্রচারিত হতো। তিনিই প্রথম Bell Communications এর প্রেসিডেন্ট Michael Sabia এর কাছে স্যাটেলাইট চ্যানেলে বাংলা চ্যানেলের সম্প্রচার করার জন্যে Channel Communications Manager-এর মাধ্যমে লেখালেখি করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালে Bell Canada ফাইবার অপটিক কমিউনিকেশনে এটিএন বাংলা চ্যানেল সম্প্রচার শুরু করে।
২০১০ সালে নাসরীন খান ইনসলভেন্সি লাইসেন্স পান। ব্যবসার উদ্দেশ্যে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিলে Bell Canada কোম্পানি তাকে অনুরোধ করেছিল চাকরি না ছাড়ার জন্য। পরে তাদের অনুরোধে তিনি চার বছর সেখানে ট্যালেন্ট রিটেনশন প্রোগ্রামে ছিলেন। ২০১৪ সালে বেল কানাডা কোম্পানির কাঠামোগত পরিবর্তন এলে নাসরীন খান প্যাকেজ গ্রহণ করেন এবং তার ডিফাইন বেনিফিট বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন। পরবর্তীতে তিনি সেকেন্ড ক্যারিয়ার অপশন হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড সিকিউরিটির লাইসেন্স নিয়ে IG Wealth Management-এ যোগদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে National Registry Database-এর নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু যেকোনো একটি লাইসেন্স বহাল রাখা যায় সেহেতু তিনি ইনসলভেন্সি প্র্যাক্টিসকেই বেছে নেন। এর পেছনে বাংলাদেশি কমিউনিটির সেবা করার মহৎ উদ্দ্যেশ্যটি ভূমিকা রেখেছে। তিনি ২০০৩ সাল থেকে ডেবট সলিউশন নিয়ে কাজ করছেন। মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি তাকে আনন্দ দেয়। নাসরিন খান অনেক অসহায় নিরুপায় ফিনান্সিয়াল ভিক্টিম নারীদের কাজ বিনা পয়সায় করেছেন। পরবর্তীতে তাদেরকে উদ্যোগী হতে সঠিক পথনির্দেশনা এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিজেই কর্মসংস্থান করে দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি MBNA Group Solution-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কানাডায় Lake Erie এর পাশে Nora by the Lake নামক একটি প্রজেক্ট শুরু করেছেন। এই প্রজেক্ট পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিনিয়োগকারীদের জন্য কানাডায় স্বল্পমূল্যে সাধ্যের মধ্যে বাসস্থান তৈরি করে দিবে। তবে তার মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশিরা যেন কানাডায় ইমিগ্রেশনের পূর্ণাঙ্গ সুবিধাসহ এখানে নিজস্ব নিবাস গড়তে পারে।
এ প্রজন্মের অগ্রসর নারী নাসরীন খান শুধু কানাডা ও বাংলাদেশের কথাই ভাবেন না, তিনি চান, ‘পৃথিবীর সকল দেশের সব মানুষ নিপীড়ন ও শোষণমুক্ত হোক।’ সম্প্রতি দুবাইতে অনুষ্ঠিত ২য় গ্লোবাল বিজনেস সামিটে তাকে Advisor of Patriot NRB Investment Trust Fund এবং Advisor of Go Green Bangladesh হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে আসীন হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশের অবহেলিত রেমিটেন্স যোদ্ধা যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নাসরিন খান বিশেষভাবে কাজ করবেন। তিনি ওই সামিটে ‘Transformation to Innovative Financial Instruments for Bangladesh’ শীর্ষক সেমিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করেন।
নাসরীন খানের স্বামী মাইনুল খান একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি কানাডা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট। তাদের মেয়ে বুশরা খান একজন গুণী গীতিকার, সুরকার, কম্পোজার এবং প্রোডিউসার। ২০১১ সালে বুশরা খান অন্টারিওতে সেরা পাঁচজন মিউজিশিয়ানের একজন মনোনীত হন। এছাড়াও তিনি Rio Radio Station Selection 2014 & 2015-এ ট্রান্সজেন্ডার এবং সিস্টেমেটিক রেসিজম নিয়ে কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ বেস্ট রেডিও জকি এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। বুশরা খান মেন্টাল হেলথ প্রফেশনাল নার্স হিসেবে Markham Stouffville Hospital-এ কাজ করছেন। তাদের ছেলে অর্ণ খান ২০১০ সালে McMaster University Medical School থেকে লাইফসাইন্স ডিন অনারশীপে টপ মেরিটে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি RCMP-এর স্কলারশিপ নিয়ে University of Saskatchewan-এ ডক্টর অব ফার্মাসি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। বর্তমানে তিনি অন্টারিও রিভিউ বোর্ডে রিসার্চ পজিশনে কর্মরত আছেন।
নাসরিন খান তার স্বামীর ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নেও সময় দিয়ে থাকেন। দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব নাসরিন খানের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য কানাডায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ‘এথিকাল বিজনেস প্র্যাক্টিস’ নিশ্চিত করা যেন বাংলাদেশিরা কানাডার মূলধারার ব্যবসাজগতে সফল হতে পারেন।
প্রতিবেদক : আল-মুমিন খান স্নেহ


