প্রচ্ছদ সাক্ষাৎকারপ্রতিবেদন

রূপালী ব্যাংকে কাজ করছি জনসেবার আদর্শ নিয়ে

মো: গোলাম মরতুজা

জেনারেল ম্যানেজার

শিল্প ঋণ, এসএমই ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগ

 

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে রূপালী ব্যাংক লিমিটেড একটি। এই ধরনের ব্যাংকের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কার্যকর গণমুখী কর্মসূচি। তাই ছাত্র জীবনে যাদের লক্ষ্য থাকে ব্যাংকার হওয়ার, তাদের দৃষ্টি থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের দিকে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে রয়েছে অসংখ্য উচ্চশিক্ষিত এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কিন্তু সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তারই উচ্চ পদে পদোন্নতির সুযোগ ঘটে। এই সুযোগ যাদের ঘটেছে তাদের মধ্যে মো: গোলাম মরতুজা একজন। বর্তমানে তিনি রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক। তাঁর হওয়ার কথা ছিল ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক কিংবা প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা; কিন্তু তিনি হয়েছেন একজন ব্যাংকার। তিনি বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাঁচলাইশ এলাকায়।

মো: গোলাম মরতুজার জন্ম ১৯৬৯ সালের ২৬ অক্টোবর। তিনি ইরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৯৫ সালে। এরপর কর্মসংস্থানের জন্য তেমন অপেক্ষা করতে হয়নি, রূপালী ব্যাংকে যোগ দিয়েছেন ১৯৯৮ সালের ২৪ অক্টোবর। ইতোমধ্যে চাকুরির বয়স তেইশ বছরেরও বেশি। এই সময়ের মধ্যে নিয়েছেন নিবিড় প্রশিক্ষণ। অর্জন করেছেন ব্যাপক অভিজ্ঞতা। তিনি ২০১৮ সালের ১০ জুন ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। মো: গোলাম মরতুজা ব্যাংকিং ডিপ্লোমার উভয় পর্ব পাস করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে। প্রথম পর্ব সম্পন্ন করেছিলেন ২০০৩ সালে এবং দ্বিতীয় পর্ব ২০০৫ সালে। তিনি লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষাতেও  সনদপত্র অর্জন করেন। জিএম পদে পদোন্নতি পাওয়ার আগে রূপালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময় তিনি অফিস ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ব্যাংকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার রয়েছে বহুমুখী অভিজ্ঞতা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে শাখা ব্যবস্থাপক জেনারেল ব্যাংকিং, ঋণ, অগ্রিম বৈদেশিক বাণিজ্যে অর্থায়ন সংক্রান্ত ব্যাংকিং পরিষেবা, ফরেন এক্সচেঞ্জ ব্যবসা বৃদ্ধি ইত্যাদি। বিশেষ করে রপ্তানিকারকদের হিসাব খোলার সার্বিক কাজের সম্পাদনা, রপ্তানিকারকদের পরামর্শ প্রদান ইত্যাদি। এই সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যাংকার মো: গোলাম মরতুজা বলেন, ব্যাংকিং পেশা একটি পরিশ্রম সাধ্য পেশা। উপযুক্ত একাডেমিক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়া এই পেশায় সাফল্য অর্জন করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। একই সঙ্গে প্রয়োজন সততা, নিষ্ঠা এবং কাজের প্রতি আন্তরিকতা। রূপালী ব্যাংকের অংশীদার, পরামর্শক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সকলেই এই প্রতিষ্ঠানকে জনগণের আকাক্সক্ষা অনুযায়ী একটি স্থিতিশীল ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন এবং এতে তারা সফলও হয়েছেন। এর ফলে রূপালী ব্যাংক দেশের অন্যতম বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে গড়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এই ব্যাংক এখন মানুষের কাছে বিশ্বস্ততা, স্বচ্ছতা ও আস্থার প্রতীক। এ ধরনের একটি ব্যাংকে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত।

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিনত হয়েছে। এরফলে দেশের মধ্যে ব্যাপক হারে অর্থনৈতিক কর্মকা- বেড়েছে। মো: গোলাম মরতুজা একজন ব্যাংকার হিসেবে এই গতি-প্রবাহ অনুধাবন করেছেন। এই সম্পর্কে তিনি বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির হার প্রায় ৮০ শতাংশ। এ সুবাদে লেনদেনও বেড়েছে। এই সময়ে জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৮ শতাংশ। বৈশ্বিক মহামারির সময় বেশিরভাগ উন্নত দেশ যখন জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ছিল নেতিবাচক, তখনো বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫.২৪ শতাংশ। রূপালী ব্যাংক অতিমারির ধাক্কা ভালোভাবে সামাল দিয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক  কয়েক দফায় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রূপালী ব্যাংকও নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে রূপালী ব্যাংক। এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা বোর্ড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওসহ সকল শ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কাজের প্রতি ঐকান্তিক নিষ্ঠা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

কৃষিখাতের প্রতি গুরুত্ব

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। এই খাতের সাফল্যের কারণে দেশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এই সম্পর্কে রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো: গোলাম মরতুজা বলেন, বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক মহামারি করোনা-ভাইরাস (কোভিড-১৯) কৃষি খাতকেও আঘাত করেছে। তা থেকে কৃষি খাতকে রক্ষার জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি উপকরণের ভর্তুকি বৃদ্ধি, কৃষি উপকরণ সহজলভ্যকরণ, কৃষি ঋণের আওতা বৃদ্ধি ইত্যাদি।

প্রণোদনা হিসেবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ৯০০০ কোটি এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক, বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ওপর। রূপালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এই দায়িত্ব শতভাগ সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম হয়েছে জনসেবার আদর্শ নিয়ে। এই কারণেই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সমাজ সেবার আদর্শ নিয়েই কাজ করেন। এসব ক্ষেত্রে মুনাফার কথা খুব কমই ভাবা হয়। এ ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের সাফল্যকে ধরে রাখার জন্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এই জন্য রূপালী ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যাংক কর্তৃক রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আদা চাষের জন্য রেয়াতি সুদে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পেঁয়াজ সংকট মোকাবিলা করার জন্য পেঁয়াজ উৎপাদনে ব্যাপক ভিত্তিতে ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেইরি এবং পোল্ট্রি খাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সব শাখার মাধ্যমে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক কথায় বলা যায়, রূপালী ব্যাংক হচ্ছে একটি গণবান্ধব ও কৃষিবান্ধব ব্যাংক।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বিদেশে স্বীকৃত হয়েছে অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে।

২০২১ সাল ছিল বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর। স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষে বাংলাদেশ উদযাপন করেছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই সম্পর্কে মো: গোলাম মরতুজা বলেন, পুরো জাতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের পাশাপাশি মুজিববর্ষ, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে। রূপালী ব্যাংকও বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে বছরটি পালন করেছে। উদ্দীপনার সঙ্গে কৃষি ও শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শক্তিশালী করেছে। আমাদের তৃণমূল অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে কৃষি ও ক্ষুদ্রশিল্প। এর পাশাপাশি রয়েছে মাঝারি আকারের শিল্প। এসব খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টির জন্য নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে রূপালী ব্যাংক। এসব খাতে ঋণ বিতরণ ও বিনিয়োগের শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স¦ল্প আয়ের মানুষের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা। এতে সাফল্যও অর্জিত হয়েছে। কোনো গরিব মানুষকে রূপালী ব্যাংকের দরজার সামনে এসে ফিরে যেতে হয় না। ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই দায়িত্বকে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেছেন। কারণ, তারা দেশ সেবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছেন। এই ধরনের একটি ব্যাংকে কাজ করতে পেরে আমিও গর্বিত।

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা

রূপালী ব্যাংক কার্যক্ষমতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এই কারণেই এই ব্যাংকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের সংখ্যাও বেশ ভালো। এই সম্পর্কে মেধাবী ব্যাংকার মো: গোলাম মরতুজা বলেন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামর্থ্য, দক্ষতা এবং শক্তির জায়গাগুলো চিহ্নিত এবং সেগুলোকে উন্নত করা। এই কারণেই রূপালী ব্যাংক টিম স্পিরিট ও পেশাগত লক্ষ্য অর্জনে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আর এটাই হচ্ছে ব্যাংকের কর্মতৎপরতার প্রাণ। আমিও বহু প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও তাতে ভাটা পড়েনি। বরং গবেষণার দৃষ্টি তীক্ষ্ন হয়েছে। আমার পক্ষে বেশকিছু প্রবন্ধ লেখা সম্ভব হয়েছে। আমার ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে একটি আত্মজীবনীমূলক গবেষণা গ্রন্থ রচনা করা। আমি চাই আমার অভিজ্ঞতাগুলো তরুণ ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শেয়ারিং হোক। তিনি আরও বলেন, রূপালী ব্যাংকের জনবল কাঠামোর বিরাট একটি অংশ তরুণ। বর্তমানে ব্যাংকের জনশক্তি প্রায় অর্ধেক অর্থাৎ ৪৮.৩৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বয়স ৪০ বছরের নিচে। এই তরুণদের মধ্যে রয়েছে মেধা, উদ্যম, দক্ষতা এবং জনসেবার আদর্শ। প্রবীণদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের উদ্যমের সংযোগে রূপালী ব্যাংকে একটি চমৎকার কাজের পরিবেশ গড়ে উঠেছে।

নীতি-নৈতিকতা

বর্তমান সমাজে নীতি-নৈতিকতার অবক্ষয় সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য এটি একটি বিরাট সমস্যা। কোনো কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাপক সম্পদ সঞ্চয় করেছেন এবং নিজেদের মান-সম্মান খুইয়েছেন। এই সম্পর্কে ডায়নামিক ব্যাংকার গোলাম মরতুজা বলেন, প্রাচীনকালেও সমাজে দুর্নীতি করে কেউ ভাগ্য বদলাতে পারেনি বরং দুর্ভোগ ডেকে আনে। তাছাড়া কর্মজীবনেও দুর্নীতিবাজরা সফল হতে পারে না। ব্যাংকে চাকরি করার জন্য প্রয়োজন সততা এবং একাগ্রতা। ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে যারা উন্নতি লাভ করেছেন, তারা নিজেদের শিক্ষা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে নৈতিকতা ও সততার পরিচয় দিয়েছেন। আমি নিজেও কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততার জন্যই জিএম পদে পদোন্নতি অর্জন করেছি। দীর্ঘ কর্মজীবনে কোনো লোভই আমাকে গ্রাস করতে পারেনি। তবে এটাও স্বীকার করি, নগণ্য সংখ্যক কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী হয়তো দুর্নীতি করে। তারা কিন্তু ব্যাংকের ভেতর থেকে প্রভাবিত হয় না। বাইরের অপশক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। তাদের প্রতি ব্যাংক কঠোর দৃষ্টি রাখছে। এই ব্যাপারে ব্যাংকের প্রশাসন অত্যন্ত সতর্ক। তিনি আরো বলেন, রূপালী ব্যাংকে যোগ দেয়ার আগে আমি একজন ব্যাংকার হবার স্বপ্ন দেখেছি। একটা পর্যায়ে রূপালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার চাকুরি পেয়েছি। এই প্রতিষ্ঠানেই পুরো কর্মজীবন কাটিয়ে দিয়েছি; ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার হয়েছি। ভাগ্যে থাকলে হয়তো আরও ভালো কিছু হতে পারবো ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, এই পর্যায়ে আসার পেছনে রয়েছে আমার কর্তব্যনিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং কাজের প্রতি আন্তরিকতা।

এখানে কাজ করেছি জনসেবার আদর্শ নিয়ে- তাই দেশের উন্নয়নে কিছুটা হলেও অবদান রাখতে পেরেছি বলে আমার বিশ্বাস।  বোরহান উদ্দিন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button